جاري تحميل ... مدونة نور الدين رياضي للعمل السياسي والنقابي والحقوقي

أخبار عاجلة

إعلان في أعلي التدوينة

شهادة المارشال جوكوف عن القائد جوزيف ستالين সোভিয়েত রাশিয়ার বিখ্যাত সেনানায়ক মার্শাল জুকভের লেখা থেকে জানা যায়---

 সোভিয়েত রাশিয়ার বিখ্যাত সেনানায়ক মার্শাল জুকভের লেখা থেকে জানা যায়---

"রণাঙ্গনে বা কোন সোভিয়েত অঞ্চলে পরিদর্শনে না থাকলে স্তালিন সাধারণতঃ ক্রেমলিনে নিজের স্টাডিতে বসে জরুরী কাজকর্ম করতেন। রঙবাহরী
ওক কাঠের পাত দিয়ে মোড়া বড় মাপের ঘর"। ছিল নেহাৎই অনাড়ম্বর। ঘরের মধ্যে বই-এর আলমারি, জরুরী কাগজে ঠাসা সেল্ফ, একটা বড়সড় টেবিল আর খানকয়েক শক্তপোক্ত চেয়ার ছাড়া কিছুই ছিল না। আর ছিল মার্কস এঙ্গেলস আর লেনিনের পেল্লাই পেল্লাই তিনখানা ছবি। যুদ্ধের শেষে তাঁর ইচ্ছে অনুযায়ী সুভরভ আর কুতুজতের ছবি টাঙানো হয়। স্টাডির পাশে আর একটা ঘরে ঢুকতেই ছিল আর একটা পেল্লাই টেবিল। ওক কাঠের টেবিলের ওপর একটা বেশ বড় মাপের গ্লোব ও পৃথিবীর সবদেশের মানচিত্র মেলা থাকতো। দেওয়ালেও সাঁটানো ছিল নানান দেশের মানচিত্র। এখানে ছিল একটা উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন আন্তঃক্রেমলিন টেলিফোন। ঘরের এককোণে তাঁর লেখার টেবিলটা সবসময় জরুরী ফাইল, বই আর মানচিত্রে ঠাসা থাকতো। সেখানে বসেই স্তালিন লিখতেন। লেখার সময় তিনি কখনো কাউকে ডিক্টেসন দিতেন না। তিনি নিজে হাতেই লিখতেন এবং স্বচ্ছন্দে দ্রুতগতিতে। এই ঘরের পেছনেই আর একটা বড় হলঘর ছিল তাঁর বিশ্রামাগার ও টেলিগ্রাফের অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি দিয়ে সাজানো সিগন্যাল কক্ষ। এখান থেকে তিনি রণাঙ্গনের সেনানায়কদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতেন ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিতেন। অথচ, এই ঘরটাকে কেন্দ্র করে তাঁয় সম্পর্কে একটা পুরোন রেকর্ডের মত বহু ব্যবহার বেসুরো হয়ে আসা গালগল্প চালু আছে যে, তিনি নাকি ভালভাবে মানচিত্র দেখতে জানতেন না, হাতে একটা গ্লোব নাচাতে নাচাতে যুদ্ধক্ষেত্রের ভৌগলিক ও বস্তুগত পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে রণকৌশলগত সিদ্ধান্ত নিতেন। আর নাকি পৃথিবীর মানচিত্রের ওপর তিনি হুমড়ি খেয়ে পড়ে থাকতেন। সবকটা কথা নির্জলা মিথ্যে। ঐ ধরনের কায়দা-মেরামতির তাঁর প্রয়োজন হত না। কারণ, যে কোন পরিস্থিতি বিশ্লেষণে যেমন তাঁর ছিল অসাধারণ পান্ডিত্য তেমনি মানচিত্র পর্যালোচনায় ছিল অগাধ দখল। রাজনৈতিক নেতা হিসাবে তিনি ছিলেন একজন প্রতিভাবান মানুষ। আগ্রাসী যুদ্ধের মৌলিক ব্যাখ্যাগুলো ছিল তাঁর নখদর্পনে। যে কারনে, শত্রুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ রচনায় তিনি ছিলেন অদ্বিতীয়। স্বভাবতঃই সর্বাধিনায়ক হিসেবে তাঁর প্রতিভা নিয়ে প্রশ্ন তোলার মানে হল প্রশ্নকর্তা মূর্খের স্বর্গে বাস করছেন।
স্তালিনের আর একটি সহজাত গুণ ছিল যে, যেমন স্থানীয় সমস্যার ব্যাপারে তেমনি রণাঙ্গনের স্থানীয় অধিনায়কের ওপর প্রাথমিক পর্যায় যুদ্ধ পরিচালনার দায়িত্ব ছেড়ে দিতেন, যতক্ষণ না পর্যন্ত তাঁর কাছ থেকে পরামর্শ চাওয়া হত
ততক্ষণ তিনি এলাকার অধিনায়ক বা রাজনৈতিক কমিশনারের কাজে নাক গুলাতেন না।"
নিন্দুকদের মুখের ওপর হাতবোমার মত আওয়াজ করে একথা সাচ্ছন্দে প্রমাণ করা যায় যে, দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ ও রাশিয়ার জারতন্ত্রকে উচ্ছেদ করার যুদ্ধে স্তালিন সামরিক বিজ্ঞান ও আধুনিক যুদ্ধাস্ত্রের কারিগরি বিদ্যায় অনন্য-সাধারণ প্রতিভার পরিচয় দিয়েছেন এবং সে সত্য যুদ্ধকালীন আন্তর্জাতিক নেতৃবৃন্দ ও সমরনায়কদের দ্বারা স্বীকৃত। আকাশ-যুদ্ধে ও গোলন্দাজ বাহিনীর যুদ্ধ-পদ্ধতিকে তিনি সর্বাধুনিক বৈজ্ঞানিক কৌশল আবিষ্কার করেছিলেন, যার দৌলতে নাৎসী-বাহিনীর 'রিৎসক্রিগ মাস্টার প্ল্যান' ছারখার করে দেওয়া সম্ভব হয়েছিল। এর কারণ, প্রায় প্রায়ই তিনি বিমান বাহিনী, নৌ-বাহিনী ও পদাতিক বাহিনীর জেনারেল স্টাফ এবং সামরিক বিজ্ঞানে বিশেষজ্ঞদের আহ্বান করে স্বদেশে এবং বিদেশে উৎপাদিত ও উদ্ভাবিত সমরাস্ত্রের ওপর বিজ্ঞানভিত্তিক আলোচনার আয়োজন করতেন।
সর্বাধিনায়ককে মুখ প্রমাণ করার জন্যে কুৎসিত মন্তব্য করে নিকিতা ক্রুশ্চেভনিজেই আহাম্মক বানিয়েছেন একথাও লেনিনের সিদ্ধান্ত ও জুকভের লেখায় প্রমাণ হয়ে যায়। ১৯২১ সাল থেকেই লেনিন উপলব্ধি করলেন যে, অন্তর্ক'লহের ফলে পার্টি' আভ্যন্তরীণ জীবন প্রায় শ্বাসরোধ হয়ে যাবার মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে পার্টি'র গণভিত্তিও ভেঙ্গে পড়বে-অবিলম্বে শক্ত হাতে লাগাম টানা দরকার। এই কারণেই ১৯২২ সালে সোভিয়েত কমিউনিষ্ট পার্টির একাদশ কংগ্রেসে লেনিনের প্রস্তাব অনুযায়ী ও কেন্দ্রীয় কমিটির প্রায় সবকজন সদস্যের সমর্থনে জোসেফ স্তালিন পার্টির সাধারণ সম্পাদক নিযুক্ত হন। মহাজ্ঞানী (!) ক্রুশ্চেভকে জিজ্ঞেস করলে মন্দ হত না যে, একজন মূর্খকে সাধারণ সম্পাদক বানানোর জন্যে মহামতি লেনিনকে আপনার কি আখ্যা দেওয়া উচিত ছিল? নিশ্চয়ই মহামূর্খ'!
মার্শাল জুকভ তাঁর 'রেমিনিসেন্সস অ্যান্ড রিফ্লেকশনস' পুস্তকে লিখেছেন,-
"স্তালিনের অধ্যয়নের পরিধি ছিল দিগন্ত প্রসারিত। আন্তর্জাতিক বিষয়ে হালফিল সমস্ত খবরাখবর তিনি পুঙ্খানুপুঙ্খ ব্যাখ্যা করতে পারতেন। রাজ নৈতিক ও অর্থনৈতিক বিশ্ব পরিস্থিতি ছিল তাঁর নখদর্পনে। যে কোন জটিল তত্ত্বের মর্মমূলে অবিলম্বে পৌঁছনোর ক্ষমতা থাকার ফলে তিনি সীমাহীন জ্ঞানেল অধিকারী হতে পেরেছিলেন, যা একজন মহান প্রতিভাবানের পক্ষেই সম্ভব।”
এরপরেও নিন্দুকের দল ব্যর্থ ক্রীড়াবিদদের মতো পুরস্কৃতের দিকে মুখ ভেংচে বলবে লোকটা ছিল মহামূর্খ লেখাপড়ার ধার ধারতেন না।
গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের ব্যাপারে স্তালিনের বস্তুবাদী দৃষ্টিকোণকে লেনিন কোনও দিন ই উপেক্ষার চোখে দেখতেন না।১৯০৫ সালে বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক বিপ্লবের প্রাক্কালে রুশ সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটিক লেবার পার্টির 'ঐক্য
কংগ্রেসে জমিদারদের জমি সংক্রান্ত বিষয়ে স্তালিনের প্রস্তাব ছিল, জমি বেআইনি ঘোষণা করার পর সেসব কৃষকদের মধ্যে বিলি-বণ্টন করে দিতে হবে। সক্রিয়ভাবে পার্টি'র কাজে নিযুক্ত অধিকাংশ বলশেভিক প্রতিনিধিই স্তালিনের প্রস্তাবের পক্ষে তাঁদের সমর্থন জ্ঞাপন করেন। মেনশেভিকরা ওকালতি করেন পঞ্চায়েতীকরণের পক্ষে। এবং লেনিনের নেতৃত্বে সংখ্যালঘু বলশেভিকরা জমি জাতীয়করণের পক্ষে তাঁদের মতামত হাজির করেন। কিন্তু, পার্টি'র ভেতরকার বলশেভিক গোষ্ঠী ও খোদ লেনিন, স্তালিন প্রস্তাবিত জমি বিলির প্রস্তাবটাকে সর্বসম্মতি-ক্রমে গ্রহণ করেন। বিলি-বণ্টনের পক্ষে স্তালিনের যুক্তি ছিল; প্রথমতঃ, এই মুহূর্তে কৃষক জনতা জমি জাতীয়করণের নীতি মেনে নিতে পারবেন না এই কারণে যে, পুরনো অভ্যেসমত তাঁরা জমিদারের জমি নিজেদের সম্পত্তি হিসেবে পেতে চান; দ্বিতীয়তঃ, কৃষক জনতা জমি জাতীয়করণের বিরুদ্ধে দাঁড়াবেন এই কারণে যে, উক্ত ব্যবস্থাকে তাঁরা নিজেদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়া বলেই মনে করবেন; তৃতীয়তঃ, জাতীয়করণের বিরুদ্ধে কৃষক জনতার প্রতিরোধকে ঠেকানো গেলেও, মার্কসবাদী হিসেবে বলশেভিকদের এই মুহূর্তে জাতীয়করণের নীতিকে সমর্থন করা একান্তই অনুচিত হবে কারণ, বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক বিপ্লবের বিজয়ের পর রাশিয়া সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র হবে না, হবে একটা বুর্জোয়া ব্রাষ্ট্র। স্বভাবতঃই, জাতীয়করণ হয়ে যাওয়া জমির বিরাট সম্পদটা শ্রমিকশ্রেণীর স্বার্থরক্ষা না করে বুর্জোয়া শক্তিরই উত্তরোত্তর বৃদ্ধি ঘটাবে।
বিলি-ব্যবস্থার প্রস্তাবক মার্কসবাদীদের সমর্থন আদায় করে নিতে পরেছিলেন এবং এই যুক্তির ভিত্তিতে যে, বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক বিজয়ের পর পুনর্গঠনের কাজ চলাকালীন বিপ্লবের গতিপথে এক দীর্ঘ অবকাশ থাকবে। বিজয়ী বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক বিপ্লব এবং আগামী দিনের সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের মধ্যেকার অবসরে পুঁজিবাদ, অপ্রতিহত গতিতে বিকশিত হয়ে কৃষি-অর্থনীতির মধ্যেও সংক্রমিত হবে। তখন শ্রেণীসংগ্রামও তীব্র শ্রেণীঘৃণায় ঝলসে উঠে দেশময় ছড়িয়ে পড়বে। শ্রমিকশ্রেণীর সংখ্যা দিন দিন বেড়ে উঠবে। শ্রমিক-শ্রণীর শ্রেণীচেতনা ও শ্রেণীসংগঠন ক্রমাগত যথপোযুক্ত উপলব্ধির স্তরে উন্নীত হবে এবং এসবের পরই সূচনা হবে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের আকাঙ্খিত অধ্যায়টির।


شهادة المارشال جوكوف عن القائد جوزيف ستالين

يتضح من مذكرات المارشال جوكوف، القائد العسكري السوفيتي الشهير، أنه عندما لم يكن ستالين في جولة تفتيشية للجبهة أو لإحدى المناطق السوفيتية، كان يقضي معظم وقته في إنجاز الأعمال العاجلة في مكتبه الخاص بـ الكرملين.

مكتب ستالين: بساطة مفرطة وعمل دؤوب

كانت الغرفة واسعة، جدرانها مغطاة بألواح خشب البلوط، لكنها كانت تتسم بـ بساطة متناهية. لم يكن فيها سوى خزائن للكتب، ورفوف مكدسة بالأوراق الهامة، وطاولة ضخمة، وبضعة كراسي متينة. تزينت الغرفة بثلاث صور ضخمة لكل من ماركس، وإنجلز، ولينين. وبناءً على رغبته بعد نهاية الحرب، عُلقت صور القادة العسكريين التاريخيين "سوفوروف" و"كوتوزوف".

وفي غرفة مجاورة للمكتب، كانت هناك طاولة ضخمة من خشب البلوط عليها مجسم كرة أرضية (غلوب) كبير وخرائط لجميع دول العالم. كما كانت الخرائط تغطي الجدران أيضاً. وفي هذه الغرفة، وُجد هاتف عالي القدرة للاتصالات الداخلية في الكرملين. أما مكتبه الشخصي في زاوية الغرفة، فكان دائماً مزدحماً بالملفات العاجلة والكتب والخرائط.

تكذيب الشائعات المغرضة

كان ستالين يكتب كل شيء بيده، وبسرعة وسلاسة، ولم يكن يملي أحاديثه على أحد. خلف هذه الغرفة، كانت هناك قاعة كبيرة مخصصة للاستراحة وغرفة إشارات مجهزة بأحدث أجهزة التلغراف، حيث كان يتواصل مباشرة مع قادة الجبهات ويقدم لهم المشورة اللازمة.

وعلى الرغم من ذلك، انتشرت حول هذه الغرفة قصص كاذبة -أشبه بأسطوانة مشروخة- تدعي أنه لم يكن يجيد قراءة الخرائط، وأنه كان يتخذ القرارات الاستراتيجية وهو يدير الكرة الأرضية بين يديه. كل هذه الادعاءات كذب محض. فلم يكن ستالين بحاجة إلى مثل هذه الاستعراضات، لأنه كان يمتلك معرفة عميقة في تحليل المواقف وتمكناً هائلاً من مراجعة الخرائط. كزعيم سياسي، كان رجلاً عبقرياً يدرك تماماً الأسس الجوهرية للحروب العدوانية، مما جعله فريداً في تنظيم المقاومة ضد العدو. إن التشكيك في عبقريته كقائد أعلى للقوات المسلحة لا يصدر إلا عن شخص يعيش في "جنة المغفلين".

الموهبة العسكرية والتنظيمية

من صفات ستالين الفطرية أنه كان يترك مسؤولية إدارة المعارك في مراحلها الأولى للقادة المحليين، ولم يكن يتدخل في شؤون القائد الميداني أو المفوض السياسي ما لم يُطلب منه النصح.

ورداً على الحاقدين، يمكن إثبات أن ستالين أظهر موهبة استثنائية في العلوم العسكرية وتقنيات الأسلحة الحديثة خلال الحرب العالمية الثانية وحروب الإطاحة بالقيصرية، وهو ما اعترف به القادة الدوليون المعاصرون له. لقد ابتكر أساليب علمية حديثة في القتال الجوي والمدفعية، مما ساهم في تحطيم "مخطط البرق" (Blitzkrieg) النازي. وكان يعقد اجتماعات دورية مع هيئة الأركان العامة وخبراء العلوم العسكرية لمناقشة الابتكارات العلمية في الأسلحة المحلية والأجنبية.


الرد على نيكيتا خروتشوف

لقد جعل نيكيتا خروتشوف من نفسه أضحوكاة حين حاول تصوير القائد الأعلى كجاهل، وهو ما تفنده قرارات لينين وكتابات جوكوف. فمنذ عام 1921، أدرك لينين أن النزاعات الداخلية كادت تخنق الحزب، وللحفاظ على القاعدة الشعبية، كان لا بد من قيادة حازمة. وبناءً على اقتراح لينين في المؤتمر الحادي عشر للحزب عام 1922، وبدعم من اللجنة المركزية، عُين ستالين سكرتيراً عاماً. وهنا يُطرح السؤال: إذا كان ستالين "جاهلاً" كما يزعم خروتشوف، فبماذا نصف لينين الذي اختاره لهذا المنصب؟

عبقرية ستالين في مذكرات جوكوف

يقول المارشال جوكوف في كتابه "الذكريات والتأملات":

"كانت آفاق معرفة ستالين واسعة جداً. كان قادراً على تحليل أدق التفاصيل في الشؤون الدولية، وكان مطلعاً بشكل كامل على الوضع السياسي والاقتصادي العالمي. وبفضل قدرته على النفاذ إلى جوهر أكثر النظريات تعقيداً، امتلك معرفة لا حدود لها، وهي صفة لا تتوفر إلا للعباقرة العظام."


الرؤية المادية الجدلية والأرض

لم يتجاهل لينين يوماً وجهة نظر ستالين المادية في القرارات الهامة. ففي "مؤتمر الوحدة" لحزب العمال الاشتراكي الديمقراطي الروسي عام 1905، اقترح ستالين توزيع أراضي الإقطاعيين على الفلاحين بعد مصادرتها. وبينما عارض المناشفة ذلك، أيدت أغلبية البلاشفة النشطين مقترح ستالين.

كان منطق ستالين يتلخص في:

  1. الفلاحون لن يقبلوا التأميم الفوري لأنهم يريدون امتلاك الأرض كملكية خاصة حسب عاداتهم القديمة.

  2. اعتبار التأميم سلبياً لحقوقهم قد يدفعهم للمقاومة.

  3. روسيا بعد الثورة الديمقراطية البرجوازية ستكون دولة برجوازية وليست اشتراكية فوراً، وبالتالي فإن تأميم الأرض قد يخدم القوى البرجوازية بدلاً من مصلحة الطبقة العاملة في تلك المرحلة.

لقد نجح ستالين في إقناع الماركسيين بأن الطريق نحو الثورة الاشتراكية يمر عبر مراحل تتطور فيها الروح الطبقية والوعي لدى العمال، وهو ما أثبت نضجه السياسي المبكر.

عن موقع

Biplab Banerjee New  (Biplab Banerjee)

هذا أحدث مقال.
رسالة أقدم

ليست هناك تعليقات:

إرسال تعليق

إعلان في أسفل التدوينة

إتصل بنا

نموذج الاتصال

الاسم

بريد إلكتروني *

رسالة *