স্তালিন বিরোধিতা কুৎসার নায়ক নিকিতা ক্রুশ্চেভ জনৈক আমেরিকান সাংবাদিককে এক সাক্ষাতকারে স্তালিন সম্পর্কে বলেছিলেন,-
"স্থালিন সর্বক্ষণ যুদ্ধফেরত মেডেল পরে বসে থাকতেন কারণ, তিনি আড়ম্বরপ্রিয় ছিলেন। অথচ, তিনি ভাল করে পৃথিবীর মানচিত্র দেখতে জানতেন না। হাতে একটা গ্লোব নাচাতে নাচাতে যুদ্ধক্ষেত্রের ভৌগলিক বিশ্লেষণ করে রণকৌশলগত সিদ্ধান্ত নিতেন। তাছাড়া, স্তালিন কোনকালেই মার্কসবাদের মৌলিক তত্ত্ব অধ্যয়ন ও হৃদয়ঙ্গম করার ধার ধরতেন না। ক্রুশ্চেভের মন্তব্যগুলো যে নির্জলা মিথ্যে ও ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের বহিঃপ্রকাশ সেটা সোভিয়েত ইউনিয়নের সবচেয়ে দুর্দিনে অন্যতম সেনানায়ক, যিনি ১৯৪১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তিন বাহিনীর সর্বাধিনায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন, মার্শাল জুকভ তাঁর স্মৃতিকথায় লিখেছেন,-
যুদ্ধের সময় সামরিক তৎপরতার দিনে স্তালিনের সঙ্গে আমার হামেশাই দেখা হত, কারণ, সদর দপ্তরে অস্বাভাবিক ব্যস্ততার মধ্যেও তিনি সুযোগ পেলেই রণাঙ্গনে চলে এসে লড়াই পরিচালনার কাজে সক্রিয় অংশ গ্রহণ করত। আর সেই সুবাদেই আমি তাঁর অনেক কাছাকাছি আসার সুযোগ পেয়েছিলাম। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে পূর্ব ঘোষিত আনুষ্ঠানিক সভায় যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতি নিয়ে আলাপ-আলোচনার সময় দেখা-সাক্ষাৎতো হতই। তবে, গুরুত্বপূর্ণ বেশীরভাগ সিদ্ধান্তই, - রণাঙ্গনে অথবা সদর দপ্তরে যেখানেই হোক না কেন, গ্রহণ করা হত স্তালিনের খাবার টেবিলে। কারণ নানান ভাবে তিনি কাজের সময় বাঁচাতেন ও কোনভাবেই আনুষ্ঠানিকতার পক্ষপাতী ছিলেন না। এবং স্তালিনের এই আড়ম্বরের অভাব আমার খুবই ভাল লাগত। সর্বোচ্চ কমিটি অথবা রাষ্ট্রীয় প্রতিরক্ষা কমিটির সিদ্ধান্তগুলোকে বাস্তবায়িত করার জন্যে তিনি সর্বদা বদ্ধপরিকর থাকতেন। যুদ্ধকালীন জরুরী কাজকর্ম সুসম্পন্ন করার জন্যে 'রুশ সর্বোচ্চ সোভিয়েত প্রেসিডিয়াম', 'সোভিয়েত ইউনিয়ন কমিউনিস্ট
পার্টি'র কেন্দ্রীয় কমিটি' এবং 'রুশ গণপ্রতিনিধিদের সর্বোচ্চ কাউন্সিল' মিলে 'স্তাভকা' ও রাষ্ট্রীয় প্রতিরক্ষা কমিটি' নামে দুটো উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কাউন্সিল - বোর্ড গঠন করেছিল। স্তালিন নিজেই ঐ দুটে সংগঠনের নেতা হিসাবে বোর্ড এর কাজে কখনো অবসর যাপন করতেন না। এবং সহকর্মীদেরও কাজে মাতিয়ে রাখতে ভালবাসতেন"।
ভালিন বিরোধি কুৎসার আরেকজন সক্রিয় অংশগ্রহণকারী সাহিত্যিক - আলেকজান্ডার সোলঝেনিৎসিন, যিনি তাঁর 'প্রথম বৃত্ত' (দি ফাস্ট সার্কেল) উপন্যাসে স্তালিন-বিরোধী কুৎসিত গল্প ফোঁদে সাম্রাজ্যবাদের মদতপুষ্ট নোবেল কমিটিকে সন্তুষ্ট করে ১৯৭০ সালে নোবেল পুরস্কার জয় করেছিলেন, সেই সোলঝনিৎসিন 'প্রথম বৃত্ত' পুস্তকেই স্তালিনের পক্ষে অসতর্কভাবে সত্যি কথা লিখে ফেলেন যে,-
"বিকেল পাঁচটাকে কোনমতেই মস্কোর কর্মদিবসের বিরতি বলা সঙ্গত নয়।
বরং, সাময়িক বিরতি বলাই মানানসই। সেই সময় কর্মজীবি মানুষের বাড়ি ফিরে গিয়ে স্নান-খাওয়া সেরে খানিকটা বিশ্রাম নেবার ফুরসৎ। মস্কোর পাঁয়ষট্টিটা মন্ত্রকের হাজার হাজার জানলার ফাঁক দিয়ে দেখা যাবে রাত্তির দশটায় আবার জ্বলে উঠছে হাজার হাজার উজ্জজ্জ্বল বাতি। ডজনখানেক বেল্লার শয়ে শয়ে দেওয়ালের আড়ালে এমন একজন অনিদ্রা রোগে আক্রান্ত মানুষের সতর্ক' প্রহরা, যিনি মস্কোর সরকারে মন্ত্রক ও আমলা মহলকেও নিজের সঙ্গে সঙ্গে রাতের শেষ প্রহর পর্যন্ত জেগে থাকতে অভ্যস্ত করে তুলেছেন।"
এরপরেও কি হিটলারের 'নববিধান'-এর কায়দায় রচিত মার্কসবাদের নববিধান', 'পেরেস্ত্রৈকা-গ্লাসনস্ত'-এর উকিল-মোক্তাররা স্তালিনের বিরুদ্ধে আমলাতন্ত্রেকে শক্তিশালী করার অপবাদ দিয়ে তারস্বরে চোঁচাবেন?
মার্শাল জুকভ তাঁর স্মৃতিকথায় আরও লিখেছেন,-
"সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ' আলোচনাগুলোর সময় স্তালিন বিভিন্ন কমিটি-গুলোর মিলিত সভা আহ্বান করতেন। এই সব ব্যাপারে তিনি আমলাতান্ত্রিক কায়দায় আনুষ্ঠানিকতাকে মোটেই আমল দিতেন না। বিভিন্ন কমিটির মত বনিময়ের ফলে মিলিত সভায় যারপরনাই ভাল ফল পাওয়া যেত। তারপর থেকে অনেকদিন অবধি ঐ রেওয়াজ চালু ছিল। কিন্তু, একটা নির্দিষ্ট সময় থকে স্তালিন বিরোধীরা ঐ প্রথার সক্রিয় বিরোধিতা করে পুরোন আমলা-ান্ত্রিক রেওয়াজকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার তোড়জোড় শুরু করে।
কাজের গুরুত্বকে অগ্রাধিকার দেবার জন্যে স্তালিনকে অসম্ভব পরিশ্রম করতে
বিশ্রাম কে মোটেই আমল দিতেন না। কর্তব্যের খাতিরে সবথেকে বেশি ও ভাল কাজ করাটা ছিল তাঁর পছন্দ। আর প্রত্যেকেই এ-ব্যপারে স্তালিনের উদাহরণ অনুকরণ করার ফলে সরকারি দপ্তরগুলো সচল হয়ে উঠেছিল। যথেষ্ট বয়স হওয়া সত্ত্বের কর্তব্য সম্পাদনের ব্যাপারে স্তালিন ছিলেন দৌড়ের ঘোড়ার মত প্রাণবন্ত। যার ফলে যুদ্ধ শেষ হয়ে যাবার পর তাঁকে দেখে মনে হত যেন বয়সটা তাঁর রাতারাতি লাফ মেরে মেরে এগিয়ে গেছে। অথচ, প্রয়োজনের বাইরে কথা বলতেন তিনি খুবই কম। জটিল চিন্তায় গভীরভাবে মগ্ন থাকা ছিল তাঁর অভ্যাসজাত।"
অবশ্য স্তালিন জীবনে কোনদিন ভুল-ভ্রান্তির শিকার হন নি, এমন দাবি জুকব কোনদিনই করেন নি। তিনি লিখেছেন,-
"অভিজ্ঞতার সঞ্চয় যত উত্তোরত্তর বৃদ্ধি পেয়েছে, ভুল-ভ্রান্তি ততই ক্ষিপ্রতার সঙ্গে সংশোধন করে নেওয়া হয়। সাধারণভাবে ভুলত্রুটি যা তিনি করেছিলেন, সেটা স্তালিনগ্রাদ যুদ্ধের শুরুর দিকে। কিন্তু, একটা ভুল কখনো তিনি দুবার করতেন না। কারণ, ভুল-ত্রুটির ফলাফলের দিকে তাকিয়ে তিনি যন্ত্রণা বোধ করতেন এবং তার থেকে শিক্ষা নিতেন। বহু সময় দেখা গেছে যে, যৌথ উদ্যোগের ব্যর্থতার দায়-ভার তিনি নিজের কাঁধে তুলে নিয়ে সহকর্মীদের ভৎসনার হাত থেকে বাঁচিয়েছেন।"
যুদ্ধ-জয়ের ২৫-তম বার্ষিকী উপলক্ষ্যে এক অনুষ্ঠান চলাকালীন যুব-প্রাভদায় এক সাক্ষাৎকারে মিখাইল সলোকভ বলেছিলেন,-
"স্তালিনকে অমর্যাদা করা, মূর্খ বলে আখ্যা দেওয়া বা স্তালিনের চরিত্র হননের চেষ্টা করা শুধুই অন্যায় নয়, বরং, সেটা একটা অমার্য'নীয় সামাজিক অপরাধ, একটা ভয়ঙ্কর চারিত্রিক অসত্যতা এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন ও তার জনগণের বিরুদ্ধে স্পষ্টতঃই অন্তর্ঘাত। তবে, সেটা মোটেই এই কারণে নয় যে, বিপ্লবীরা সমালোচনার উর্ধ্বে। বরং, সেটা এই কারণেই যে, এই ধরনের অকাট্য মিথ্যে সত্যের সমাধি রচনা করে, নতুন বিশ্বদর্শন যার জন্যে এক ইঞ্চিও জমি ছেড়ে দেয় নি। কিন্তু বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জমাট কুয়াশা কেটে গিয়ে আকাশ ফরসা হয়ে যাবার মত। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে গিয়ে মানুষের মনও একদিন পরিস্কার হয়ে যাবে।”
قال نيكيتا خروتشوف، بطل حملات التشهير المعادية لستالين، في مقابلة مع صحفي أمريكي عن ستالين:
«كان ستالين يجلس دائمًا مرتديًا أوسمة العودة من الحرب لأنه كان محبًّا للمظاهر. ومع ذلك، لم يكن يعرف كيف يطّلع جيدًا على خريطة العالم. كان يتخذ القرارات الاستراتيجية بتحليل جغرافي لساحات القتال وهو يحرّك كرة أرضية بيده. فضلًا عن ذلك، لم يكن ستالين في أي وقت معنيًا بدراسة النظرية الأساسية للماركسية أو استيعابها بعمق».
أن تعليقات خروتشوف محض أكاذيب صريحة وتعبير عن صراع شخصي، كتب عنه في مذكراته المارشال جوكوف، أحد أبرز القادة العسكريين في أحلك أيام الاتحاد السوفييتي، والذي انتُخب في فبراير/شباط 1941 قائدًا أعلى للقوات المسلحة الثلاث:
«خلال أيام النشاط العسكري في زمن الحرب كنت ألتقي ستالين كثيرًا، لأنه رغم الانشغال غير الاعتيادي في مقر القيادة، كان يغتنم كل فرصة للذهاب إلى الجبهة والمشاركة الفعلية في إدارة القتال. وبحكم ذلك أتيحت لي فرصة الاقتراب منه كثيرًا. وإضافة إلى ذلك، كنا نلتقي ونتحاور في اجتماعات رسمية مُعلَن عنها مسبقًا لمناقشة التعقيدات الخطيرة للوضع الحربي. غير أن معظم القرارات المهمة كانت تُتخذ—سواء في الجبهة أو في مقر القيادة—على مائدة طعام ستالين. إذ كان يحرص بطرق شتى على توفير الوقت، ولم يكن يميل إطلاقًا إلى الشكليات. وقد أعجبني كثيرًا هذا الافتقار إلى التكلّف لديه. كان دائم العزم على تنفيذ قرارات أعلى اللجان أو لجنة الدفاع الحكومية. ولإنجاز الأعمال العاجلة زمن الحرب، شكّلت هيئة رئاسة السوفييت الأعلى الروسي، واللجنة المركزية للحزب الشيوعي للاتحاد السوفييتي، والمجلس الأعلى لنواب الشعب الروسي، مجلسين عاليي الصلاحيات هما “ستافكا” ولجنة الدفاع الحكومية. وكان ستالين نفسه، بوصفه قائد هاتين الهيئتين، لا يأخذ قسطًا من الراحة عن عمل المجلس، وكان يحب أن يُشرك زملاءه ويُبقيهم منشغلين بالعمل».
وكان من المشاركين النشطين الآخرين في حملات التشهير المعادية لستالين الكاتب ألكسندر سولجنيتسين، الذي نال جائزة نوبل عام 1970 بعد أن أرضى لجنة نوبل المدعومة من الإمبريالية بقصص قبيحة معادية لستالين في روايته «الدائرة الأولى» (The First Circle). ومع ذلك، كتب سولجنيتسين في الرواية نفسها—دون انتباه—حقيقة في صالح ستالين، جاء فيها:
«لا يصح بأي حال اعتبار الساعة الخامسة مساءً استراحة يوم العمل في موسكو. بل الأدق تسميتها توقفًا مؤقتًا. ففي ذلك الوقت يعود العاملون إلى بيوتهم للاستحمام وتناول الطعام ونيل قدر يسير من الراحة. ومن بين نوافذ خمسةٍ وستين وزارة في موسكو سيُرى عند العاشرة ليلًا أن آلاف الأضواء الساطعة تُضاء من جديد. وخلف مئات الجدران في عشرات المباني يقف حارس يقِظ لرجل مصاب بالأرق، اعتاد أن يُبقي وزارات الحكومة وأوساط الموظفين في موسكو مستيقظين معه حتى الساعات الأخيرة من الليل».
أفبعد كل ذلك، هل سيواصل وكلاء «الكتاب الجديد للماركسية» المكتوب على طريقة «الكتاب الجديد» لهتلر، ومحامو «البيريسترويكا–الغلاسنوست»، الصراخ بأعلى أصواتهم متهمين ستالين بتقوية البيروقراطية؟
ويكتب المارشال جوكوف أيضًا في مذكراته:
«في أوقات المناقشات الأشد أهمية كان ستالين يدعو إلى عقد اجتماعات مشتركة لمختلف اللجان. ولم يكن يُعير الشكليات البيروقراطية أي اعتبار. وقد أسفرت تبادلات الآراء بين اللجان في الاجتماعات المشتركة عن نتائج جيدة للغاية. واستمر هذا التقليد مدة طويلة بعد ذلك. لكن منذ وقت معيّن بدأ معارضو ستالين معارضة نشطة لهذا النهج، وشرعوا في السعي لإعادة ترسيخ الأساليب البيروقراطية القديمة.
ومن أجل إعطاء الأولوية لأهمية العمل كان على ستالين أن يعمل عملًا شاقًا للغاية؛ لم يكن يُولي الراحة أي اهتمام. كان يفضّل أن ينجز أكبر قدر من العمل وبأفضل صورة بدافع الواجب. وباقتداء الجميع بمثاله في هذا الشأن أصبحت الدوائر الحكومية نشِطة. ورغم تقدّم سنّه كان ستالين حيويًا كجواد سباق في أداء الواجب، حتى بدا بعد انتهاء الحرب وكأن عمره قد قفز قفزًا سريعًا إلى الأمام. ومع ذلك كان قليل الكلام فيما لا ضرورة له، وكانت عادته الانغماس العميق في التفكير المعقّد».
وبالطبع، لم يدّعِ جوكوف يومًا أن ستالين لم يقع في أخطاء قط. إذ كتب:
«كلما تراكمت الخبرة، جرى تصحيح الأخطاء بسرعة أكبر. وبوجه عام، كانت الأخطاء التي ارتكبها في بداية معركة ستالينغراد. لكنه لم يكن يكرر الخطأ نفسه مرتين؛ لأنه كان يتألم من نتائج الأخطاء ويتعلّم منها. وكثيرًا ما شوهد وهو يتحمّل على عاتقه مسؤولية إخفاق المبادرات المشتركة، فيحمي زملاءه من اللوم»
وفي مناسبة الذكرى الخامسة والعشرين للنصر في الحرب، قال ميخائيل شولوخوف في مقابلة مع صحيفة «يونغ برافدا»:
«إن إهانة ستالين، أو وصفه بالأحمق، أو محاولة تشويه سمعته، ليست ظلمًا فحسب، بل هي جريمة اجتماعية غير أخلاقية، وزيف أخلاقي خطير، وتخريب صريح ضد الاتحاد السوفييتي وشعبه. وليس ذلك لأن الثوريين فوق النقد، بل لأن مثل هذه الأكاذيب الفجّة تُقيم قبرًا للحقيقة، ولرؤية عالمية لم تتنازل يومًا عن شبر واحد. غير أن الزمن—كما تنقشع الضبابات المتراكمة ويصفو الأفق مع تقدم النهار—سيجعل عقول الناس صافية يومًا ما مع السير المتناغم مع مجراه».
عن موقع
Biplab Banerjee New (Biplab Banerjee) بالفايسبوك
تعليق على الموضوع
ক্রুশ্চেভ স্টালিনকে কিয়েভ পতনের জন্য দায়ী করেন। কিয়েভ থেকে রিট্রিট করার বিপক্ষে স্ট্যালিন মত দিয়েছিলেন , ফলে অবরোধকারী জার্মান বাহিনীর হাতে রেড আর্মির নিদারুণ পরাজয় এবং প্রায় ১ লাখ মানুষ খুন হয়ে যান। এই সোরগোলটা যখন জমে উঠেছে তখন সরাসরি মুখ খোলেন মার্শাল ঝুখভ - তিনি সরাসরি কিয়েভ পতনের জন্য ক্রুশ্চেভ কেই দায়ী করেন কারণ কিয়েভের পলিটিক্যাল কমিশার ছিলেন স্বয়ং নিকিতা ক্রুশ্চেভ। কে না জানে সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থায় পলিটিক্যাল কমিশারদের কথা সবথেকে গুরুত্ব পূর্ণ। বরং বারবার stavka থেকে retreat করার কথা বলা হলেও তার বিরোধিতা করে গেছেন ঐ ক্রুশ্চেভ।
حمّل خروتشوفُ ستالينَ مسؤوليةَ سقوط كييف. فقد عارض ستالينُ الانسحابَ من كييف، ونتيجةً لذلك مُني الجيش الأحمر بهزيمةٍ ساحقة على يد القوات الألمانية المُحاصِرة، وقُتل نحو مئة ألف شخص. وعندما اشتدّ هذا الجدل، خرج المارشال جوكوف ليتحدث بصراحة، فحمّل خروتشوفَ نفسه مسؤوليةَ سقوط كييف، لأن المفوّض السياسي في كييف كان نيكيتا خروتشوف شخصيًا. ومن المعروف أن رأي المفوّضين السياسيين في النظام الاشتراكي كان يحظى بأهمية قصوى. بل إن خروتشوف كان يعارض مرارًا دعوات الانسحاب الصادرة عن الـ«ستافكا» (القيادة العامة).
ليست هناك تعليقات:
إرسال تعليق