جاري تحميل ... مدونة نور الدين رياضي للعمل السياسي والنقابي والحقوقي

أخبار عاجلة

إعلان في أعلي التدوينة

The Economic Struggle and Economism from a Leninist Perspective الحركة الاقتصادية والاتجاه الاقتصادوي من منظور لينيني

 الحركة الاقتصادية والاتجاه الاقتصادوي من منظور لينيني

من المنظور اللينيني، لا تُعدّ مسألة الحركة الاقتصادية والاتجاه الاقتصادوي مجرد مسألة تكتيك تنظيمي، بل هي مسألة تتعلق بطبيعة الثورة ذاتها.

في أواخر القرن التاسع عشر في روسيا، كانت نضالات العمال تتركز أساسًا حول الأجور، وساعات العمل، وظروف المصانع، وما شابه ذلك. وقد كانت هذه النضالات عفوية بطبيعتها، لكنها ظلت محصورة في الإطار النقابي. وفي سياق هذه التجربة الواقعية، وجّه فلاديمير إيليتش لينين نقدًا حادًا للاتجاه الاقتصادوي في كتابه الشهير ما العمل؟.

يرى لينين أن النضال الاقتصادي العفوي للطبقة العاملة يُنتج بصورة طبيعية ما أسماه «الوعي النقابي»، أي إدراك العمال لضرورة التنظيم ضد صاحب العمل وانتزاع أجور أفضل وشروط عمل أحسن. غير أن هذا الوعي لا يقود تلقائيًا إلى الاستيلاء على السلطة السياسية أو إلى التحول الاجتماعي الشامل. فالوعي السياسي، بحسب لينين، يجب أن يُدخل إلى الحركة العمالية من الخارج، عبر النظرية الثورية والتنظيم الثوري.

وهنا يتضح الفرق بين الحركة الاقتصادية والاقتصادوية. فالحركة الاقتصادية تمثل ميدانًا حقيقيًا للصراع، أما الاقتصادوية فهي ذلك الاتجاه الذي يقول إن على العمال أن يظلوا محصورين في مطالبهم الاقتصادية الآنية فقط. وبلغة لينين، فإن هذا الاتجاه يُخضع الحركة العمالية للسياسة البرجوازية، لأن تجاهل مسألة السلطة السياسية والاكتفاء بالنضال من أجل الأجور والمكافآت يُبقي الهيمنة السياسية للطبقة الحاكمة قائمة.

يوضح لينين أن النضال السياسي لا يقتصر على العمل البرلماني، بل يشمل جهاز الدولة، وسياسات القمع، والرقابة، والاعتقالات، والمسألة الفلاحية، والمسألة القومية، وكل ما يجب ربطه بالحركة العمالية. ويؤكد أن على الحزب الثوري أن يُبنى بطريقة تُمكّنه من طرح كل قضية اقتصادية ضمن الإطار الأوسع للصراع السياسي.

كان اعتراض لينين على الاقتصادوية قائمًا على ثلاثة مستويات:
أولًا، أنها تُضخّم العفوية وتُقلّل من أهمية القيادة النظرية.
ثانيًا، أنها تحصر الطبقة العاملة داخل دائرة المصالح الاقتصادية الضيقة.
ثالثًا، أنها تُقلّص دور الحزب الثوري إلى مجرد منظم نقابي.

لذلك، لا ينكر المنظور اللينيني أهمية النضال الاقتصادي، بل يؤكد أنه مدرسة للنضال السياسي. غير أن توقف الحركة عند هذا المستوى وحده يحوّلها إلى اقتصادوية. فالسياسة الثورية تتطلب ربط النضالات اليومية للعمال بمسألة السلطة السياسية ونظام الحكم.

ولهذا شدّد لينين على ضرورة وجود حزب ثوري مركزي، منضبط، ومسلّح نظريًا. وبرأيه، فإن الانتقال من المطالب الاقتصادية إلى النضال السياسي الشامل هو الطريق الصحيح للحركة العمالية.



📌 লেনিনীয় দৃষ্টিতে অর্থনৈতিক ও অর্থনীতিবাদী আন্দোলন
লেনিনীয় দৃষ্টিতে অর্থনৈতিক আন্দোলন ও অর্থনীতিবাদী প্রবণতার প্রশ্নটি কেবল সংগঠনের কৌশল নয়, বরং বিপ্লবের চরিত্রের প্রশ্ন।
রাশিয়ার উনিশ শতকের শেষ ভাগে শ্রমিকদের মধ্যে মূলত মজুরি, কাজের সময়, কারখানার শর্ত ইত্যাদি নিয়ে আন্দোলন হচ্ছিল। এই আন্দোলন স্বতঃস্ফূর্ত ছিল, কিন্তু তা সীমাবদ্ধ ছিল ট্রেড ইউনিয়ন পর্যায়ে। এই বাস্তব অভিজ্ঞতার প্রেক্ষিতে ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিন তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ What Is to Be Done?-এ অর্থনীতিবাদী প্রবণতার তীব্র সমালোচনা করেন।
লেনিনের মতে, শ্রমিক শ্রেণির স্বতঃস্ফূর্ত অর্থনৈতিক সংগ্রাম স্বাভাবিকভাবে “ট্রেড ইউনিয়ন চেতনা” তৈরি করে। অর্থাৎ শ্রমিক বুঝতে শেখে যে মালিকের বিরুদ্ধে সংগঠিত হতে হবে, ভালো মজুরি ও শর্ত আদায় করতে হবে। কিন্তু এই চেতনা নিজে থেকে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল বা সামগ্রিক সামাজিক রূপান্তরের দিকে অগ্রসর হয় না। রাজনৈতিক চেতনা বাইরে থেকে, বিপ্লবী তত্ত্ব ও সংগঠনের মাধ্যমে শ্রমিক আন্দোলনের মধ্যে প্রবেশ করাতে হয়।
এখানেই অর্থনৈতিক আন্দোলন ও অর্থনীতিবাদের পার্থক্য স্পষ্ট হয়। অর্থনৈতিক আন্দোলন একটি বাস্তব সংগ্রামের ক্ষেত্র। কিন্তু অর্থনীতিবাদ হলো সেই প্রবণতা যা বলে, শ্রমিকদের কেবল তাদের তাৎক্ষণিক অর্থনৈতিক দাবিতেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত। লেনিনের ভাষায়, এটি শ্রমিক আন্দোলনকে বুর্জোয়া রাজনীতির অধীন করে রাখে। কারণ, রাষ্ট্রক্ষমতার প্রশ্নকে পাশ কাটিয়ে কেবল মজুরি-বোনাসের লড়াই করলে শাসকশ্রেণির রাজনৈতিক আধিপত্য অটুট থাকে।
লেনিন দেখান, রাজনৈতিক সংগ্রাম মানে শুধু সংসদীয় রাজনীতি নয়; বরং রাষ্ট্রযন্ত্র, দমননীতি, সেন্সরশিপ, গ্রেফতার, কৃষক প্রশ্ন, জাতীয় প্রশ্ন—সবকিছুকে শ্রমিক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত করা। তিনি যুক্তি দেন, বিপ্লবী দলকে এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে যাতে প্রতিটি অর্থনৈতিক ইস্যুকে রাজনৈতিক সংগ্রামের বৃহত্তর প্রেক্ষিতে তুলে ধরা যায়।
অর্থনীতিবাদ সম্পর্কে লেনিনের আপত্তি ছিল তিনটি স্তরে। প্রথমত, এটি স্বতঃস্ফূর্ততাকে অতিরঞ্জিত করে এবং তাত্ত্বিক নেতৃত্বের গুরুত্ব কমিয়ে দেয়। দ্বিতীয়ত, এটি শ্রমিক শ্রেণিকে কেবল অর্থনৈতিক স্বার্থের গণ্ডিতে আটকে রাখে। তৃতীয়ত, এটি বিপ্লবী দলের ভূমিকা সংকুচিত করে ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠকের পর্যায়ে নামিয়ে আনে।
লেনিনীয় দৃষ্টিতে তাই অর্থনৈতিক সংগ্রামকে অস্বীকার করা হয় না। বরং বলা হয়, অর্থনৈতিক সংগ্রাম হলো রাজনৈতিক সংগ্রামের বিদ্যালয়। কিন্তু যদি আন্দোলন কেবল সেই স্তরেই থেমে যায়, তবে তা অর্থনীতিবাদে পরিণত হয়। বিপ্লবী রাজনীতি দাবি করে, শ্রমিকের দৈনন্দিন লড়াইকে রাষ্ট্রক্ষমতা ও শাসনব্যবস্থার প্রশ্নের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে।
এই কারণেই লেনিন জোর দিয়েছিলেন কেন্দ্রীভূত, শৃঙ্খলাবদ্ধ এবং তাত্ত্বিকভাবে সুসজ্জিত একটি বিপ্লবী পার্টির ওপর। তাঁর মতে, অর্থনৈতিক দাবি থেকে শুরু করে সর্বাত্মক রাজনৈতিক সংগ্রামে উত্তরণই হলো শ্রমিক আন্দোলনের সঠিক পথ।

The Economic Struggle and Economism from a Leninist Perspective

From a Leninist perspective, the question of the economic movement and the economistic tendency is not merely a matter of organizational tactics, but a question of the very character of the revolution.

In late nineteenth-century Russia, workers’ struggles were mainly focused on wages, working hours, factory conditions, and similar issues. These struggles were spontaneous in nature, but they remained confined to the trade-union level. In the context of this concrete experience, Vladimir Ilyich Lenin launched a sharp critique of economism in his famous work What Is to Be Done?.

According to Lenin, the spontaneous economic struggle of the working class naturally generates what he called “trade-union consciousness.” That is, workers learn the need to organize against employers in order to win better wages and working conditions. However, this consciousness does not by itself advance toward the seizure of state power or comprehensive social transformation. Political consciousness, Lenin argued, must be introduced into the workers’ movement from outside, through revolutionary theory and organization.

Here the distinction between the economic movement and economism becomes clear. The economic movement represents a real arena of struggle. Economism, on the other hand, is the tendency that insists workers should remain limited to their immediate economic demands. In Lenin’s terms, this subordinates the workers’ movement to bourgeois politics, because by bypassing the question of state power and restricting struggle to wages and bonuses, the political dominance of the ruling class remains intact.

Lenin emphasized that political struggle does not mean parliamentary politics alone. Rather, it involves confronting the state apparatus, repression, censorship, arrests, the peasant question, the national question, and linking all of these to the workers’ movement. He argued that the revolutionary party must be built in such a way that every economic issue can be raised within the broader context of political struggle.

Lenin’s objections to economism operated on three levels. First, it exaggerates spontaneity and downplays the importance of theoretical leadership. Second, it confines the working class to the narrow framework of economic interests. Third, it reduces the role of the revolutionary party to that of a mere trade-union organizer.

Thus, from a Leninist standpoint, economic struggle is not rejected. On the contrary, it is regarded as a school of political struggle. But if the movement stops at this level alone, it turns into economism. Revolutionary politics demands that workers’ daily struggles be linked to the question of state power and the system of rule.

For this reason, Lenin insisted on a centralized, disciplined, and theoretically equipped revolutionary party. In his view, the correct path of the workers’ movement lies in advancing from economic demands to an all-encompassing political struggle.

ليست هناك تعليقات:

إرسال تعليق

إعلان في أسفل التدوينة

إتصل بنا

نموذج الاتصال

الاسم

بريد إلكتروني *

رسالة *